April 19, 2026, 11:36 pm

ফতুল্লায় গাড়ী চোর চক্রের মূলহোতা সহ গ্রেপ্তার ৫

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় আন্তঃজেলা গাড়ী চোর চক্রের মূল হোতা সহ পাচঁ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে চোরাইকৃত একটি মাইক্রোবাস, দুটি সিএনজি ও তিনটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার এ তথ্য জানান।

গ্রেপ্তাররকৃতরা হলো- চক্রের মূল হোতা জালকুড়ি পশ্চিম পাড়ার মোহর মাস্টারের ছেলে আতাউর রহমান (৩৫), সোনারগাঁও থানার নুনের টেকের মৃত আসমত আলীর ছেলে সুমন মন্ডল (৪২), জালকুড়ি পশ্চিম পাড়ার মৃত. গিয়াস উদ্দিনের ছেলে ওয়াকি (২৫), গোদনাইল সৈয়দ পাড়ার মৃত. দুলাল ভূইয়ার ছেলে বাবু ভূইয়া ও জালকুড়ি দক্ষিন পাড়ার মো. ছানোয়ার আলীর ছেলে মোঃ রাজিব হোসেন (৩৬)।

এর আগে, বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) রাত ১২ টায় সাইনবোর্ডে পিবিআই অফিসের সামনে মনির মিয়ার গ্যারেজের পাশে চোরাই গাড়ি কেনাবেচা করা হচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ আতাউর, সুমন মন্ডল ও রাজিব হোসেনকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে দুটি মোটর সাইকেল ও একটি সিএনজি উদ্ধার করা হয়।

পরবর্তীতে তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী রাত তিনটার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের জালকুড়ি পশ্চিম পাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওয়াফি ও বাবুকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দেখানো মতে, ওয়াফির বাসার গলি থেকে একটি চোরাই নোয়া গাড়ী ও একটি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা আন্তঃজেলা গাড়ী চোর চক্রের পেশাদার সদস্য। তাদের বিরুদ্ধে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সহ জেলার বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা